মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

লালমনিরহাটে পরকীয়ার জেরে  স্বামীকে  হত্যা

মোঃ গোলাপ মিয়া আদিতমারী
Update : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১, ১২:১২ অপরাহ্ন

মোঃ গোলাপ মিয়া আদিতমারী প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট জেলা সদর মাঝিপাড়া এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী আব্দুল জলিলকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা প্রমাণ পেয়েছে থানা পুলিশ । এলাকা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়  জলিলের স্ত্রীর সঙ্গে এক ওষুধ ব্যবসায়ীর দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ওই ওষুধ ব্যবসায়ীকে বিয়ে করার জন্য জলিলকে হত্যা করার পরিকল্পনা নেয় তাঁর স্ত্রী ও প্রেমিক ওষুধ ব্যবসায়ী গোলাম রব্বানী । উক্ত সম্পর্কের  প্রেমে পাগল হয়ে নিজের স্বামী আব্দুল জলিল কে হত্যার করার জন্য পরিকল্পনা নেয় প্রেমিক প্রেমিকা দুই জন মিলে, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য দ্রুত লাশ দাফন করতে চাইলে নিহত পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয় এক পর্যায়ে বিষয়টি স্বাভাবিক মৃত্যু না অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তদন্ত করে দেখার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেন ,অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ সহযোগিতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ সার্কেল  মারুফা জামাল  মাঠে তদন্ত নামে তদন্তে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয় জলিলকে  হত্যা করা হয়েছে ।তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত  পুলিশ সুপার মারুফা জামাল 

 হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করেন । বুধবার বিকেলে লালমনিরহাট কোর্টে তুলেন আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার  করেছেন পুলিশ জানায়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাঁচামাল ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল ২১ জুলাই তাঁর শহরের বাড়িতে খুন হন। তাঁর গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ গ্রামে গত ২২ জুলাই তাঁর স্ত্রী মমিনা বেগম (২৫) বাড়িতে খবর না দিয়েই তাঁর লাশ দাফন করেন,জলিলের স্বজনেরা মৃত্যুবরণ বিষয়টি সন্দেহ হলে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে মরদেহ গোসল করানোর সময় মুখসহ কয়েকটি স্থানে  রক্তের  দেখতে পায় । মৃত  জলিলের ভাই আব্দু রশিদ এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কি না, তা তদন্ত করার জন্য  পুলিশ  সুপারের কাছে গত ২৫ জুলাই অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগ তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফা জামানকে দায়িত্ব প্রদান করেন। তদন্তে  প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়ে জানতে পারে স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে খুন হতে হয়েছে জলিলকে ,গত ২৭ জুলাই আবদুর রশিদ এ ঘটনায় জলিলের স্ত্রী মমিনা বেগম, তাঁর প্রেমিক গ্রাম্য ডাক্তার গোলাম রব্বানীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় এজাহার দায়ের করিলে  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফা জামাল নিহতের স্ত্রী মমিনা বেগম,ও প্রেমিক গোলাম রব্বানীসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  ফারুফা জামাল নেতৃত্ব  প্রেমিকা মমিনা বেগম, প্রেমিক গোলাম রব্বানীসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আটক করেন । জিজ্ঞাসাবাদে মমিনা বেগম ও গোলাম রব্বানী কাঁচামাল ব্যবসায়ী আবদুল জলিলকে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তাঁরা জলিলকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, তারও বর্ণনা দেন।সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহআলম জানান, প্রাথমিকভাবে ব্যবসায়ী জলিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর মমিনা বেগম ও গোলাম রব্বানীকে বুধবার লালমনিরহাট আমলী আদালত-১-এ হাজির করা হয়। তাঁরা ওই আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফেরদৌসী বেগমের কাছে ১৬৪ ধারায় হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host