শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বজ্রপাতে ডুমুরিয়ায় গাভীসহ যুবকের মৃত্যু শৈলকুপায় সদ্য প্রয়াত এমপি আব্দুল হাই স্মরণে দোয়া মাহফিল ও শোক সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ১৬০ টাকায় পুলিশে চাকরি পাচ্ছেন ২৮ জন নদীর জায়গা দখল করে শৈলকুপার যুবলীগ নেতা শামীম মোল্লার ইটভাটা ও পুকুর খনন প্রাথমিকের বদলির অনলাইন আবেদন শনিবার ৩০ মার্চ থেকেআগামী ১ এপ্রিল পর্যন্ত জাহাজ মালিকরা আর্মস গার্ড নিচ্ছেন রাজৈর উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার পার্টি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে পৃথক দুটি মামলায় কিশোর গ্যাং এর ১৮ জনকে গ্রেফতার : অস্ত্র ও টাকা উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে আন্তজেলা পেশাদার মোটরসাইকেল চোর ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার ঝিনাইদহে ভর্তুকি মুল্যে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি শুরু
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

বোয়ালমারীতে ৭১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  শহীদ মিনার নেই

Reporter Name
Update : শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ১০:০২ পূর্বাহ্ন

সনত চক্রবর্ত্তী ফরিদপুর প্রতিনিধি: মাতৃভাষা আন্দোলনের ৬৮ বছর পার হলেও ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৭১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনো তৈরি হয়নি শহীদ মিনার। এর ফলে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও ভাষা শহীদদের সম্পর্কে  কোন ধারনা নেই তরুন প্রজন্ম। আর যেসব প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার আছে তা বছরের পর বছর পড়ে থাকে অযত্ন আর অবহেলার।
আর যেসব প্রতিষ্ঠানে একবারেই নেই শহীদ মিনার সে সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা দিবস এলে কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে  দায়িত্ব সারে। কর্তৃপক্ষের  উদাসীনতার কারণে এত বছরেও এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি বলে মনে করেন সুধী সমাজ।
জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলায় ১০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৬টি, কলেজ ৬টি ও মাদরাসা ১৭ টিসহ মোট ১৫১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৬টি কলেজ, ২৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৪টি মাদ্রাসা ও ৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভাষা আন্দোলনের প্রতীক শহীদ মিনার থাকলেও ৭১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। ফলে ৭১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় শুধুমাত্র জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে।
এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে বঞ্চিত থাকে। এনিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। আর যেসব প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার আছে; তারমধ্যে কিছু শহীদ মিনার তা বছরের পর বছর পড়ে থাকে অযত্ন আর অবহেলার  । এসব শহীদ মিনারে কখনও গবাদি পশুর বিচরণ আবার কখনও বখাটেদের আড্ডাস্থলে পরিণত হতে দেখা যায়।
বোয়ালমারী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদ্য সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক আব্দুর রশিদ বলেন, স্বাধীনতার ৫০বছরেও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকা সত্যিই দুঃখজনক। এ এলাকার কমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানতে এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে শহীদ মিনার নিমার্ণ করা জরুরি। উপজেলা পরিষদের আগামি মিটিংয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ সম্পর্কে আমি প্রস্তাব রাখবো।
বোয়ালমারী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন,  কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক নিজ উদ্যোগে অনেকটা শহীদ মিনার করেছেন। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে এখনো শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ চলছে। অবহেলিত এলাকায় যে প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host