বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নতুন সূচিতে আজ অফিস খুলছে সুন্দরবনে হরিণের মাংস রেখে পালালো শিকারিরা আজ চিরায়ত লোক উৎসব জামাই ষষ্ঠী লালমনিরহাটে সদ্য অব্যাহতি প্রাপ্ত ছাত্রলীগ সভাপতি বিলাশ কে গ্রেফতারে দাবিতে বুড়িমারী -লালমনিরহাট মহাসড়কে মানববন্ধন লংগদুতে নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহন আদিতমারী উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা শৈলকুপায় মোস্তাককে গ্রেপ্তার কেন্দ্র করে থানা ঘেরাও ৫ পুলিশ সদস্যসহ আহত ২৫ ঝিনাইদহে ৩ দিন ব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন পিরোজপুরে ট্রাফিক সচেতনতা মূলক কর্মসূচি ও স্পীডগান পদ্ধতির উদ্বোধন ঢাকা বরিশাল মহাসড়কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অবরুদ্ধ
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

গাইবান্ধা প্লাবিত

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
Update : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২, ৭:১০ অপরাহ্ন

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ উজানের ঢলে গাইবান্ধার তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে জেলার নদী তীরবর্তী সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে ঢুকেছে পানি। এতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
বিশেষ করে সুন্দরগঞ্জের হরিপুর ও বেলকা, সদরের মোল্লারচর ও কামারজানি, ফুলছড়ির অ্যারেন্ডাবাড়ি ও ফজলুপুর ইউনিয়ন এবং সাঘাটা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার বাড়িঘরে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় স্থানীয়রা গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নিরাপদে অবস্থান চলে যাচ্ছেন। তবে বন্যার পানিতে এসব এলাকার ফসলি জমির পাট, বাদাম, কাউন ও মরিচসহ বিভিন্ন শাকসবজি তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
এদিকে পানি বাড়ার সঙ্গে নদী ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভাঙন দেখা দিয়েছে ওই চার উপজেলার অন্তত ২০টি পয়েন্টে। ইতোমধ্যে এসব এলাকার অনেক বসতবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমিসহ নানা স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এরমধ্যে ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে ১৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে তিস্তা নদীর পানি। তিনি আরও বলেন, গাইবান্ধা জেলা সদরসহ চার উপজেলায় তিস্তা, যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের বুকে ১৬৫টি চর-দ্বীপচর রয়েছে। এসব চরে প্রায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। নদ-নদীতে হু-হু করে পানি বাড়ায় এবার বড় ধরনের বন্যার শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের।
জেলা প্রসাশক অলিউর রহমান বলেন, চার উপজেলার দুর্গতদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। শিগগিরই জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তা বিতরণ শুরু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host