মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

লালমনিরহাটে ক্রিসেন্ট ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারে পরিক্ষা না করেই রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ

রকিবুল ইসলাম রুবেল, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
Update : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১, ৭:৩৭ অপরাহ্ন

রকিবুল ইসলাম রুবেল,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লারমনিরহাট জেলা সিমান্ত অধ্যুষিত এলাকায় প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের বসবাস। অবহেলিত বিশাল এ দরিদ্র জনগোষ্টির বেশির ভাগই কৃষক। এখানে নেই কোন ভাল মানের চিকিৎসা ব্যবস্থা,না আছে কোন ভাল মানের কোন অত্যাধুনিক হাসপাতাল। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জেলাটির অলিতে-গলিতে  ব্যাঙের ছাতা মত গড়ে উঠেছে বাহারি নামে ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার।
এর মধ্যে অন্যতম লালমনিরহাটের প্রান কেন্দ্রে মিশোন মোড়ে অবস্থিত ক্রিসেন্ট ডায়াগনোষ্টিক ও ইমেজিং সেন্টার। বাহারি নামে বাহারি বিজ্ঞাপনে অসু্স্থ্য মানুষকে আকৃষ্ট করতে ব্যাপক প্রচার প্রচারনায় একধাপ এগিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটির জুড়ি মেলা ভার।
কিন্তু বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটির ভিতরের চিত্র ভিন্ন।
নেই কোন ভাল মানের সার্টিফিকেট ধারি টেকনিশিয়ান। নেই কোন ভাল মানের মেশিন।
কয়েকজন ডাক্তারের সমন্বয়ে গড়ে উঠা ক্রিসেন্ট ডায়াগনোষ্টিক ও ইমেজিং সেন্টারটি সকাল থেকে রাত অবধি চলে রোগী দেখার কাজ।
 গতকাল ৩০ জুলাই বিকালে হাজিগঞ্জ এলাকার আশরাফুল ইসলাম ক্রিসেন্ট ডায়াগনোষ্টিক ও ইমেজিং সেন্টারে নাক,কান,গলা বিশেষজ্ঞ ডাঃ হুমায়ুন কবির আহম্মেদের কাছে তা ছেলে রাফি(৮) নিয়ে আসেন। ডাঃ হুমায়ুন কবির রাফিকে দেখে কিছু টেষ্ট দেন। তার মধ্যে এক্সরে করাতেও বলেন।সব গুলো রিপোর্ট করতে নেয়া হয় রক্তের স্যাম্পুল। কিছুক্ষন পর আশরাফুল ইসলামকে ডেকে ধরিয়ে দেয়া হয় রিপোর্টের কাগজ। সাথে ছিল এক্সরে রিপোর্ট।
কিন্তু তখন পর্যন্ত শিশু রাফির এক্সরে করানোই হয়নি, অথচ হাতে ধরিয়ে দেয়া হলো এক্সরে রিপোর্ট।   শিশু রাফির বাবা আশরাফুল ইসলাম রিপোর্ট গুলো নিয়ে ডাঃ হুমায়ুন আহম্মেদের কাছে প্রেসক্রিপশন করাতে গেলে ডাঃ বলেন, এটা কার এক্সরে আমিতো নাকের এক্সরে করাতে বলেছি। তখন ডাঃ হুমায়ুন আহম্মেদ শিশু রাফিকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেন বাবু তোমার কি এক্সরে করানো হয়েছে।তখন রাফি বলে আমিতো এখানে বসে ছিলাম আমার শুধু রক্ত নিয়েছে। কোন এক্সরে করায়নি।
পরে রাফির বাবা ক্রিসেন্ট ডায়াগানোষ্টিক ও ইমেজিং সেন্টারের পরিচালক মাজেদের কাছে অনিয়মের কথা বলতে গেলে বিচ্ছিরি ভাষায় গালিগালাজ করেন ও চেয়ার তুলে মারতে যান। এবং বলেন, এব্যাপারে কাওকে কিছু বলতে নিষেধ করেন।
শিশু রাফির বাবা আশরাফুল ইসলাম বলেন, যদি ডাঃ না বুঝতো তাহলে আমার ছেলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেত। আমি ক্রিসেন্ট ডায়াগনোষ্টিক ও ইমেজিং সেন্টারের মালিক আব্দুল মজিদের বিচার চাই।
এ ব্যাপারে ক্রিসেন্ট ডায়াগনোষ্টিক ও ইমেজিং সেন্টারের পরিচালক আব্দুল মজিদ বলেন, ভাই ভুলে হয়ে গেছে। আর চেয়ার তুলে মারতে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
লালমনিরহাট সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায় বলেন, অভিযোগ পাইনি পেলে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host