Monday, October 21, 2019, 12:38 am

সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী ‘তথ্য-প্রমাণ পেলে সম্রাটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা’ যুক্তরাষ্ট্রকে বাড়াবাড়ি না করতে ইরানের হুঁশিয়ারি কুষ্টিয়া সদর থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজু আটক লতা মঙ্গেশকরের গানে বাঁশি বাজিয়ে ভাইরাল তরুণী অবৈধ জুয়ার আড্ডা বা ক্যাসিনো চলতে দেয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার যুবলীগ নেতা খালেদের বিরুদ্ধে ৩ মামলা, গুলশান থানায় হস্তান্তর ১০ টাকার টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী এ বছরে প্রায় ৮ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছে ঝিনাইদহ বিআরটিএ ঝিনাইদহে গুলিবিদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার সড়ক দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার উপায় -মোঃ সালাহউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক জামালপুরের সেই ডিসি ওএসডি হলেন

চোখধাঁধানো চকের চুড়ি

ধানমন্ডির বাসিন্দা ইভা ইসলাম দুই ব্যাগ ভরা পোশাক নিয়ে পুরান ঢাকার চকবাজারে এসেছেন চুড়ি কিনতে। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চুড়ি বাছাই করছিলেন দোকান ঘুরে ঘুরে। চাকরিজীবী এই নারী বলেন, পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে দুই হাতে তিন গাছি করে চুড়ি পরেন তিনি।

চোখধাঁধানো চকের চুড়ি
ফাইল ছবি

ধানমন্ডির বাসিন্দা ইভা ইসলাম দুই ব্যাগ ভরা পোশাক নিয়ে পুরান ঢাকার চকবাজারে এসেছেন চুড়ি কিনতে। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চুড়ি বাছাই করছিলেন দোকান ঘুরে ঘুরে। চাকরিজীবী এই নারী বলেন, পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে দুই হাতে তিন গাছি করে চুড়ি পরেন তিনি।

সম্প্রতি পুরান ঢাকার চকবাজারে তাঁকে দেখা গেল চুড়ি কিনতে। নগরের যেকোনো বিপণিবিতানেই চুড়ি মেলে। এমনকি চলতে-ফিরতে ফুটপাতের পাশেও চোখে পড়ে নানান রঙের চুড়ির পসরা। তবে চকবাজারে পাইকারি দোকানগুলোতে রয়েছে হাল ফ্যাশনের হরেক রকম চুড়ির বিপুল বৈচিত্র্যময় সম্ভার। সেখান থেকে পছন্দের চুড়ি বেছে নেওয়া যেমন সহজ, দামও তুলনামূলক কম।

শিক্ষার্থী সুমি চট্টোপাধ্যায়ের মতে, চকবাজারের চুড়ির চাকচিক্য নজরকাড়া। হাতভর্তি চুড়ি কেনার নেশা জাগায়। দোকান ঘুরে ঘুরে বেশ কয়েক রঙের কাচের এবং রেশমি চুড়ি কেনেন তিনি। এখানে বেশ কম দামে চুড়ি কেনার সুযোগ থাকায় তিনি প্রায়ই আসেন বলে জানান।

গয়নার মধ্যে নারীদের কাছে চুড়ির বিশেষ আবেদন রয়েছে। সোনার বালা বা চুড়ির আভিজাত্য আলাদা। তবে যেকোনো উৎসব, পার্বণে শাড়ি বা অন্য কোনো পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে হাতভর্তি চুড়ি পরার রেওয়াজ খুবই জনপ্রিয়। ফলে ইমিটেশন অথবা কাচের চুড়ি সারা বছরই প্রচুর বিক্রি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চকবাজারে দেড় শর মতো চুড়ির দোকান রয়েছে। একসময় বাংলাদেশ মনিহারি বণিক সমিতির মার্কেট চুড়ি বেচাকেনার অন্যতম স্থান হলেও এখন চকবাজারের আরিফ ম্যানশন, লতিফ প্লাজা, খান মার্কেট, খাজা মার্কেটেও চুড়ি মিলবে। বিক্রেতারা জানালেন, বেশির ভাগ চুড়ি দেশেই তৈরি। তবে ভারতীয় চুড়ি পাওয়া যায়। এখানে চুড়ির পাইকারি দাম প্রতি ডজন ১০ থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত। খুচরা পর্যায়ে চুড়ির দাম ২০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, চুড়ির দোকানগুলোর তাকে থরে থরে সাজানো চুড়িগুলো বেশ দূর থেকেই নজর কাড়ে। নানান রঙের, নানান নকশার চুড়িতে সজ্জিত চকবাজারে এই চুড়ির দোকানগুলোতে পাইকারি বেচাকেনাই বেশি হয়। রাজধানীর চেয়ে মফস্বল এলাকাতেই চুড়ির চাহিদা বেশি বলে জানান বিক্রেতা আকবর হোসেন। জামালপুর থেকে চুড়ি কিনতে এসেছেন শামসুদ্দিন মোল্লা। তিনি চকবাজারের সুরমাপট্টির সোনার বাংলা চুড়ির ঘর থেকে কাচ, রেশমি ও মেটালের চুড়ি কেনেন।

বিক্রেতারা বলেন, খুচরা পর্যায়ে তাঁদের মূল ক্রেতা পাড়ামহল্লার নারীরা। স্বাভাবিক সময়ে মেটাল শেডের চুড়ি বেশি বিক্রি হয়। তবে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, পয়লা বৈশাখ, বিজয় দিবসসহ নানা উৎসবে চুড়ি বিক্রি বেড়ে যায়। কাচ ও রেশমি চুড়ি চলে বেশি। বাজার ঘুরে ক্রেতা–বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল, চুড়ির প্রতি নারীর অনুরাগে ভাটার টান পড়ার সম্ভাবনা নেই, তাই চুড়ির ব্যবসাতেও আপাতত নেই মন্দার শঙ্কা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন অথবা রেজিস্টার করুন

© All rights reserved © 2018 Newssonarbangla