Templates by BIGtheme NET
Home / জেলার খবর / হারভেষ্টপস্নাস ও পিজিইউকের উদ্যোগেকক্সবাজারে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান৭৪ ও ব্রি ধান৬২ জাতের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ

হারভেষ্টপস্নাস ও পিজিইউকের উদ্যোগেকক্সবাজারে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান৭৪ ও ব্রি ধান৬২ জাতের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ জিংক ধান করলে চাষ, পুষ্টি পাবে বারো মাস। এই শেস্নাগান নিয়ে হারভেষ্টপস্নাস-বাংলাদেশের সহযোগীতায় বেসরকারী সংস্থা প্রকাশ গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (পিজিইউকে) কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদে কৃষক / কৃষানীদের মাঝে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান৭৪ ও জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান৬২ জাতের বীজ ধান বিনামূল্যে বিতরণ করে। ৪ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ বীজ বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কক্সবাজার কৃষিবিদ আ, ক, ম, শাহরিয়ার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, সদর, কক্সবাজার কৃষিবিদ মোহাম্মদ এনায়েত-ই-রাবিব, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক মোঃ মঞ্জুর আহমেদ, হারভেস্টপস্নাস-বাংলাদেশের এআরডিও এস, এম, তরিকুল ইসলাম, প্রকাশ গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক আ, শ, ম, আমানুল হাসান তাইমুর, বাংলাদেশ প্রেস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও পিজিইউকের মিডিয়া উইং প্রধান মোঃ জাহিদ সুলতান। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষেদের চেয়ারম্যান মাষ্টার আব্দুর রহিম।SAW অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম ও মোঃ জাফর আলম এবং প্রকাশ গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের সমন্বয়কারী মোঃ সাইফুর রহমান। সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশে প্রথম হারভেষ্টপস্নাস-বাংলাদেশর কান্ট্রি ম্যানেজার ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউটের সাবেক পরিচালক বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মোঃ খায়রম্নল বাশার এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউটের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন-এ জাতের ধান আবিষ্কার করেন। বক্তারা বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান৭৪ জাতটি উচ্চ ফলনশীল। এ জাতের প্রতি কেজি চালে গড়ে ২৪.২ মিলিগ্রাম জিংক এবং শতকরা ৮.৩ ভাগ প্রোটিন আছে। জিংক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। জিংকের অভাবে জ্বর ও ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। জিংকের অভাবে শিশুদের মাঝে ক্ষুধা মন্দা দেখা যায়। গর্ভবতী মায়ের জিংকের অভাব হলে শারিরীক দূর্বলতা দেখা দেয়, গর্ভের বাচ্চার স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রসত্ম হয় এবং শিশুদের মানসিক দক্ষতা ও মেধার সমন্বয়হীনতা পরিলক্ষিত হয়। মহিলাদের দৈনিক ৮-৯ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন যার মধ্যে বাংলাদেশের মহিলারা গড়ে ৩.৬১-৪.৪৭ মিলিগ্রাম গ্রহণ করে থাকে। শিশুদের দৈনিক ৩-৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন এবং আমাদের শিশুরা গড়ে ২.৬৭ মিলিগ্রাম গ্রহণ করে থাকে। বাংলাদেশে শতকরা ৪৪ ভাগ শিশু এবং ৫৭ ভাগ মহিলা জিংকের অভাব জনিত অপুষ্টিতে ভুগছে। শিশুকাল ও বয়সঃসন্ধিকালে শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে এবং বুদ্ধির বিকাশে জিংক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ১৫-১৯ বছরের শতকরা ৪৪ ভাগ মেয়েরা জিংকের অভাব জনিত কারণে খাটো হয়ে যাচ্ছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং মেলেরিয়ার আক্রামত্ম শিশুদের জিংক সেবনে এ রোগের তীব্রতা হ্রাস পায়। বক্তারা আরো বলেন, গোছায় ১-২টি ৩৫-৪০ দিন বয়সের চারা রোপন করতে হবে। এক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০ সে.মি এবং গোছা থেকে গোছার দূরত্ব ১৫ সে.মি. রাখতে হবে। জমির উর্বরতা ভেদে রোপন দূরত্ব কম বেশী করা যেতে পারে। চারা রোপনের আগে জমিতে পানি ঢুকিয়ে চাষ ও মই দিয়ে আগাছা ও খড়-কুটা পচিয়ে নিতে হবে। ভালোভাবে ২-৩টি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরী করে নিতে হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful