Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
Home / জেলার খবর / মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইনোভেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন প্রতিটি উপজেলায় ছড়িয়ে দিতে হবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইনোভেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন প্রতিটি উপজেলায় ছড়িয়ে দিতে হবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ডুমুরিয়া (খুলনা) সংবাদদাতাঃ খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য বিভাগ মাছ চাষের আধুনিক প্রযুক্তি ও সম্প্রসারণ সেবা প্রতিটি চাষির দোড়গোড়ায় সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে একটি ইনোভেশন কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করছে। কার্যক্রমটি সফলভাবে বাসত্মায়িত হলে কোনরূপ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় ছাড়া বছরে প্রায় বার-তের হাজার জনচাষী সরাসরি মাছ চাষের উন্নত আধুনিক প্রযুক্তি ও সেবা গ্রহন করতে পারবেন। ফলে ডুমুরিয়ার মৎস্য উৎপাদন ২০-২৫% বৃদ্ধি পাবে । নাগরিক সেবায় উদ্ভাবনী কার্যক্রম ‘‘ওয়ার্ড ভিত্তিক মাছ ও চিংড়ি চাষ বিষয়ক ভ্রাম্যমান সেবা’’ বাসত্মবায়নের লক্ষেডুমুরিয়া উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের ১২৬টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ১ জন করে স্থানীয় মৎস্য প্রশিক্ষক (এলএফটি) তৈরী করা হয়েছে। এলএফটিগণ সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ডে চাষিদের মাঝে মৎস্য সেবার সম্প্রসারণ ঘটাবেন। ফলে চাষিরা ঘরে বসেই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।স্থানীয় মৎস্য প্রশিক্ষকগণের মাঝে সার্টিফিকেট ও উপকরণ বিতরণ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর টায় উপজেলা মৎস্য বিভাগের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহনাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য  ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সরোজ কুমার মিস্ত্রীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায়  বিশেষ অতিথি ছিলেন উপপরিচালক মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ আব্দুল ওদুদ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ খান আলী মুনসুর।  সভায় প্রধান অতিথি বলেন ‘‘ বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে প্রতিটি সরকারী কর্মকর্তাকে সেবার মনোভাব নিয়ে নতুন নতুন ইনোভেশন কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করতে হবে। সেবা গ্রহীতার দোরগোড়ায় সরাসরি পৌঁছাতে না পারলে কাক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে ডুুমুরিয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সরোজ কুমার মিস্ত্রী যে উদ্যোগ গ্রহন করেছেন তা অত্যমত্ম প্রশংসনীয়। প্রতিটি ওয়ার্ডে চাষির ঘেরে বা পুকুর পাড়ে চাষিদের একত্রিত করে প্রশিক্ষণ ও মাটি পানি পরীক্ষা করে তাদের পরামর্শ প্রদান করছেন এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে ১জন করে সেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষক তৈরী করে মৎস্য সেবা চাষির দোরড়োগায় পৌছে দিচ্ছেন। ফলে চাষির অর্থ ও সময় সাশ্রয় হচ্ছে।  উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে, চাষির জীবনমান আরো উন্নত হচ্ছে। আমরা আশা করি কার্যক্রমটি  বাসত্মায়নের ফলে প্রামিত্মক চাষিরা উপকৃত হবেন  এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রমটি বাংলাদেশের ১০০ টি উপজেলায় বাসত্মবায়নের জন্য একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। এছাড়া উদ্যোগটি বাসত্মবায়নের ফলে মাছ চাষের ক্ষেত্রে ডুমুরিয়া উপজেলা একটি মডেল উপজেলায় পরিণত হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এ উদ্যোগটি গ্রহনের ফলে তিনি সংশিস্নষ্টদেও আমত্মরিক ধন্যবাদ জানান।এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু ছাইদ, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ এ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক মোঃ শামীম হায়দায়, ইউনিয়ন প্রকল্পের খুলনা বিভাগীয় উপপ্রকল্প পরিচালক লুকাস সরকার, সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ, সাংবাদিকবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ও অন্যান্য সুধী ম-লী।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful