Templates by BIGtheme NET
Home / জেলার খবর / বহু প্রতিক্ষার পর পাবনায় ট্রেন চলাচলঃ আনন্দ মুখর পরিবেশ

বহু প্রতিক্ষার পর পাবনায় ট্রেন চলাচলঃ আনন্দ মুখর পরিবেশ

পাবনা প্রতিনিধিঃ বহু প্রতিক্ষিত পাবনা- ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেলপথের মাঝ গ্রাম থেকে পাবনা পর্যমত্ম পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরম্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঈশ্বরদীর মাঝগ্রাম ষ্টেশন থেকে ট্রায়াল ট্রেনটি পাবনা ষ্টেশনে পৌছে। বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক অসিম কুমারের নেতৃত্বে ট্রায়াল ট্রেনটি পাবনা ষ্টেশনে পৌঁছালে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশারোফ হোসেন রিসিভ করেন এবং শুভেচ্ছা জানান। এ সময় শহরবাসীর মধ্যে আনন্দ-উলস্নাস শুরম্ন হয়। জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো ষ্টেশনে পৌছে ট্রায়াল দলকে স্বাগত জানান। আগামী জানুয়ারী মাস থেকে পাবনা-ঈশ্বরদী-রাজশাহী রম্নটে ট্রেন চলাচল শুরম্ন হবে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সবুক্তগীণ। প্রথম পর্যায়ে একটি শাটল ট্রেন পাবনা-ঈশ্বরদী-রাজশাহী রম্নটে চলাচল করবে।এই রেলপথ নির্মাণের দাবি ছিল পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের। সেই অপেক্ষার পালা শেষ হবার পথে। বিভিন্ন সূত্রে থেকে জানা যায়, পাবনার মানুষের ১০০ বছরের দাবি ছিল এই রেলপথ। ১৯১৪ সালে পদ্মা নদীর উপর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ করা হলে সেই সময়ে দাবি উঠে ঈশ্বরদী থেকে পাবনা পর্যন্ত একটি লিংক রোড রেল লাইনের। সেই সময় ব্রিটিশরা এই দাবি পূরণে প্রতিশ্রম্নতিও দেয়। তবে সেই প্রতিশ্রুতি আর বাসত্মবায়ন হয়নি।দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে তাৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পাবনাবাসীর দীর্ঘ দিনের এ দাবি বাসত্মবায়নের লক্ষ্যে পাবনা-ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেলপথ প্রকল্প কাজ শুরম্ন করে। সে সময় পাবনায় নদী কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠলে স্থলপথে যাতায়াত ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে ঈশ্বরদী থেকে পাবনা হয়ে নগরবাড়ী পর্যন্ত রেলপথের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর প্রকল্পটি কাজ বন্ধ হয়ে যায়।পরবর্তীতে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে পাবনা শহরের টাউন হল মুক্তমঞ্চ মাঠে এক ভিডিও কনফারেন্সে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার মানুষকে প্রতিশ্রতি দেন আগামীতে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে এই রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প বাসত্মবায়ন করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পাবনাবাসীর প্রাণের দাবি এ রেলপথ নির্মাণের সিদ্ধামত্ম নেয়। এ সময় নকশার কিছুটা পরিবর্তন এনে রেলপথটি ঈশ্বরদী থেকে পাবনা হয়ে বেড়া উপজেলার ঢালারচর পর্যমত্ম নির্মাণ করার সিদ্ধামত্ম নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২০১০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নিবার্হী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৯৮২ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। পরবর্তীতে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬২৯ কোটি টাকা।২০১৩ সালে ২ ফেব্রম্নয়ারী পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্র¿ী শেখ হাসিনা এই রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প কাজের উদ্বোধন করেন। পাবনাবাসীর দীর্ঘ দিনের এই স্বপ্ন এখন বাসত্মবায়ন হতে চলছে। বৃহস্পতিবার সকালে রেল লাইনের দু’পাশে দাঁড়িয়ে শত শত নারী-পুরম্নষ আনন্দমূখর পরিবেশে ট্রায়াল ট্রেন প্রদÿÿন করেন এবং হাত নেড়ে স্বাগত জানান।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful