Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
Home / জেলার খবর / ঘেরের কারণে জলাবদ্ধতা বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় কেশবপুরের চাষীরা

ঘেরের কারণে জলাবদ্ধতা বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় কেশবপুরের চাষীরা

আ.শ.ম. এহসানুল হোসেন তাইফুর, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কেশবপুরে ধান চাষে কৃষককে সবচেয়ে বেশী মুনাফা দিচ্ছে বোরোপাশাপাশি দেশের খাদ্য চাহিদার বড় একটি অংশ পূরনেও সহায়তা করছে সেচ নির্ভর এ ধানটিতাছাড়া গেল বছর কাঙ্খিত দাম পাওয়ায় এবার বোরো আবাদে ঝুঁকছে কৃষককিনস্য ঘেরের কারণে বিল, জলাশয়গুলোতে এখনও পানি থাকায় কৃষকরা বীজতলা তৈরী করতে পারছে নাফলে সময়মত বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন কৃষকরাইতোমধ্যে কৃষকদের দাবির মুখে চাতরার বিলের পানি সেচ পাম্প দিয়ে নিষ্কাশন কাজ চালানো হচ্ছে।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঠিক সময়ে বোরো বীজতলা প্রসত করতে না পারলে বোরো চাষ দেরী হবেফলে অকাল বন্যায় ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছেএক সময় কেশবপুরে আউশ, আমন ও বোরো আবাদ হতো সমানতালেকিনআবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব, ঘেরের কারণে অকাল জলাবদ্ধতাসহ নানাবিধ সংকটে এ উপজেলা থেকে আউশ, আমন আবাদ প্রায় উঠে গেছেতাই এসব এলাকার মানুষ সেচ নির্ভর বোরো আবাদে ঝুঁকে পড়েছেঘেরের সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে এ উপজেলার অধিকাংশ নিন্মাঞ্চলে কেবল একটি ফসল বোরো আবাদ হয়।উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছর এ উপজেলায় ১৫ হাজার ৯৩০ হেক্টর জমি বোরো আবাদের জন্য নির্ধারণ করা হয়যার জন্যে বীজতলা প্রয়োজন ৭৯৬ হেক্টর জমিইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে বীজতলা তৈরীর কাজওএ পর্যন- ৬শ হেক্টর বীজতলা তৈরী হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ দাবি করলেও কৃষকরা ভিন্ন মত পোষণ করেছেনতাদের অভিযোগ, এ উপজেলায় ৪ হাজার ৬১৭টি মাছের ঘেরের ভেতর ৭ হাজার হেক্টর জলাকার রয়েছেএসব ঘের বেঁড়ি এলাকার শত শত কৃষকরা ঘেরের পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বাধ্য হয়ে আত্মীয় স্বজনের বিভিন্ন উঁচু সানে বীজতলা তৈরী করছেনখতিয়াখালি গ্রামের কৃষক সাবেক মেম্বার জয়দেব দাস জানান, ঘের মালিক খাতিয়াখালি বিল ও বিল গরালিয়ার পানি নিষ্কাশন না করায় তিনি জামাইয়ের বাড়ি কলারোয়ার শার্শা গ্রামে বীজতলা তৈরী করেছেনযার কারণে তাঁর বীজতলা তৈরী করতে বিলম্ব হওয়ায় ধান কাটতেও বিলম্ব হবেধান দেরীতে কাটার কারণে বৈশাখ-জ্যৈষ্ট মাসে ঝড়-বৃষ্টিতে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছেএ সময় সামান্য বৃষ্টিতে ঘেরের ভেতর জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।মধ্যকুল গ্রামের কৃষক শাহীনুর রহমান বলেন, অপরিকল্পিত বেঁড়িবাধ ও প্রধান নদীগুলো পলিতে ভরাট হওয়ার কারণে গত ৩ বছর ধরে কেশবপুর শহরে অকাল জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছেদেরীতে ধান রোপনের কারণে তাঁরা উপাদিত ধান বাড়িতে উঠানো নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।   কৃষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পাঁজিয়া ইউনিয়নের অধিকাংশ বিলগুলোর পানি এখনও ঘের মলিকরা নিষ্কাশন কাজ শুরু করেনিকৃষকের দাবির মুখে ইতোমধ্যে ঘের মালিক চাতরার বিলের পানি নিষ্কাশন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেনফলে এ এলাকার অধিকাংশ কৃষক বীজতলা তৈরী করতে মরিয়া হয়ে উঠলেও জলাবদ্ধতার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব চন্দ্র সানা বলেন, বোরো ধানের বীজতলা তৈরীর উপযুক্ত সময় হলো ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন-নাবিতে বৃষ্টি হওয়ায় এ বছর বীজতলা তৈরী করতে সামান্য বিলম্ব হয়েছেতবে অধিকাংশ এলাকায় বীজতলা তৈরীর কাজ প্রায় সম্পন্নের পথেআবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর ধানের ভালো ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদি

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful