Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
Home / জাতীয় / কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪,৬২ জাতের চাষাবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪,৬২ জাতের চাষাবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার: হারভেষ্টপস্নাস বাংলাদেশের সহযোগিতায় প্রকাশ গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (পিজিইউকে) কক্সবাজার জেলার সদর ও মহেশখালী উপজেলা চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এবং বান্দরবান জেলার সদর উপজেলায় জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪ ও জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৬২ জাতের বীজ ৫,৪০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে। গত ১৪.০৫.২১৮ তারিখ কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার নুরম্নল উলুম মাদ্রাসা মাঠে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪ ও জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৬২ জাতের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিঃ উপ-পরিচালক সুশামত্ম সাস, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সামসুল আলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম, ইউপি মেম্বার মোঃ আরিফ উলস্নাহ, পিজিইউকের সমন্বয়কারী মোঃ সাইফুর রহমান, এপিসি সিদ্দিক আহমেদ, হিসাব রÿক আসমা জেরিন।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিঃ উপ-পরিচালক সুশামত্ম সাস বলেন, এই ধানের ফলন ভাল। কষ্ট কম, পুষ্টিকর, আবার এর বাজারও ভাল। তাই আমি অন্য কৃষক যারা এবার প্রদর্শনী পস্নট করার সুযোগ পাননি তাদের আহবান জানাচ্ছি আগামী মৌসুসে আপনারাও জিংক ধানের চাষ করবেন। আর যারা চাষাবাদ করেছেন তাদের প্রতি আমার আহবান আপনারা নিজের বীজ নিজেই সংরÿন করবেন। অন্য কৃষকের কাছে বীজ বিক্রি করবেন। অন্যের খাওয়ার জন্য কিছু ধান বিক্রি করবেন এবং বাকী ধান আপনি আপনার পরিবার নিয়ে খাবেন। হারভেষ্টপস্নাসকে ধন্যবাদ জানাই নতুন এই জাতের ধান কৃষক পর্যায়ে বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য। ভবিষ্যতে এই সহায়তা আরও বাড়ানোর জন্য তিনি অনুরোধ করেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সামসুল আলম বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৭৪ ও জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ৬২ জাতটি উচ্চ ফলনশীল। জিংক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। জিংকের অভাবে জ্বর ও ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। জিংকের অভাবে শিশুদের মাঝে ক্ষুধা মন্দা দেখা যায়। এই জাতের চালের ভাত খাওয়ার মাধ্যমে মানব দেহে জিংকের অভাব পূরণ করা যায় তাই আপনারা এই জাতের ধানের আবাদ বাড়ায়ে জিংকের অভাব পূরণে ভহমিকা রাখুন। তিনি হারভেষ্টপস্নাস ও পিজিইউকে উভয়কে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে প্রদর্শনী পস্নটের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য হারভেষ্টপস্নাসকে অনুরোধ জানান।উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম বলেন, গর্ভবতী মায়ের জিংকের অভাব হলে শারিরীক দূর্বলতা দেখা দেয়, গর্ভের বাচ্চার স্নায়ুতন্ত্রে সমস্যা হয় এবং শিশুদের মানসিক ও জ্ঞান-দক্ষতার সমন্বয়হীনতা পরিলক্ষিত হয়। মহিলাদের দৈনিক ৮-৯ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন হয়। যার মধ্যে বাংলাদেশের মহিলারা গড়ে ৩.৬১ মিলিগ্রাম গ্রহণ করে। শিশুদের দৈনিক ৩-৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন এবং আমাদের শিশুরা গড়ে ২.৬৭ মিলিগ্রাম গ্রহণ করে। শতকরা ৪৪ ভাগ শিশু এবং ৫৭ ভাগ মহিলা জিংকের অভাব জনিত অপুষ্টিতে ভুগছে। শিশুকাল ও বয়সঃসন্ধিকালে শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে এবং বুদ্ধির বিকাশে জিংক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ১৫-১৯ বছরের শতকরা ৪৪ ভাগ মেয়ে জিংকের অভাব জনিত কারণে খাটো হয়ে যাচ্ছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং ম্যালেরিয়ার আক্রামত্ম শিশুদের জিংক সেবনে এ রোগের তীব্রতা হ্রাস পায়। এছাড়াও মানবদেহের বহুবিধ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় জিংক একটি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকে। ভাতের মধ্যে জিংকের পরিমাণ অল্প থাকায় বায়োফটিংফিকেশন এর মাধ্যমে জিংক ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে যা আমাদের জিংকের অভাব জনিত অপুষ্টি পুরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful