Templates by BIGtheme NET
Home / রাজনীতি / ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসে-মোঃ আছাদুজ্জামান আছাদ

ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসে-মোঃ আছাদুজ্জামান আছাদ

মোঃ আছাদুজ্জামান আছাদ: ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর উপজেলার বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে মহান স্বাধীনতা আন্দোলন এর উত্তাল দিনে মহান স্বাধীনতার স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপ্রতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রতি, তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী করে যে বিপ্লবী সরকার গঠন করা হয়। সেই বিপ্লবী সরকারের শপথ গ্রহণের দিন ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস। বাঙালী জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এই দিনটি একটি স্বরনীয় দিন। বঙ্গবন্ধু অনুপস্থিতিতে বিপ্লবী সরকারের এই পরিষদ সেদিন শপথ নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভ্রম  এই বাংলাদেশ। রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃত থাকলেও দল হিসাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা আওয়ামী লীগ সমর্থ তারা বাদে অন্যদল সমর্থন করেন বা সক্রিয় ভাবে করেন তারা এই দিবসটি কোন ভাবেই পালন করেন না। একমাত্র আওয়ামী লীগ যথাযোগ্য সর্বদার সাথে এই দিবসটি পালন করেন। আমার মনে হয় যদি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৭ এপ্রিল যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন না করত তাহরে নতুন প্রজন্ম ১৭ এপ্রিল কি সে সম্পর্কে কিছুই জানত না। আমি যখন মাধ্যমিকের গন্ডি পেরিয়ে ঝিনাইদহ সরকারী কে, সি,    কলেজে ভর্তি হলাম তখন পারিবারিক কারনেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে গেলাম। তখন  ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বর্তমান ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু ভাই। তিনি তখন আমাদের সবকিছু দেখভাল করতেন। বিভিন্ন  পত্রিকা এবং বইপত্র কিনে আমাদের দিতেন। আমরা সেগুলো মনযোগ সহকারে পড়তাম। তখন থেকেই  মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে ভালোভাবে জানার আগ্রহ বেড়ে যায়। সমস্ত প্রোগ্রামে মিন্টু ভাই আমাদের সাথে করে নিয়ে যেতেন। তখন থেকেই তার সাথে ঐতিহাসিক মুজিব নগর এবং জাতির পিতার সমাধীস্থান। বাঙালী জাতির তীর্থভূমি গোপাল গঞ্জের টুঙ্গিপাড়াতে আমার যাতায়াত। প্রতিবারের ন্যায় এবারের ও ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসের প্রোগ্রাম এলো ১৭ এপ্রিল। এবারের ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসের প্রোগ্রামে আমার কাছে ছিল একটু অন্যরকম। কারন এবার আমাদের মাইক্রোতে আমাদের টিম লিডার ছিলেন ৭৬ বছরের যুবক, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এড: আব্দুল ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দার। nsbঅন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন অশোক ধর রবিউল ইসলাম, নাজমুল হুদা পলাশ শহিদুল ইসলাম রনি। অন্যরকম বললাম এই কারনে। মিন্টু ভাই বললেন নেতাদের মধ্যে যারা মুজিব নগর যেতে চায় তাদের সংখ্যা কত আমাকে জানাও। আমি তাদের যাবার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ এর নেতা ও কর্মীরা বাস এবং মাইক্রোযোগে মুজিব নগরের প্রোগ্রামে যাচ্ছে। জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা মাইক্রোবাসে যোগে যাবে। প্রথমে তালিকা করলাম যাদের নিজ্বস্ব গাড়ী আছে তারা বাদে ২৫ জন হবে। বললাম ২টা হাইয়েস মাইক্রো হলেই চলবে। জেলা আওয়ামী লীগের যাওয়ার মত প্রায় সবার সাথে যোগাযোগ করলাম সবায় বলল যাব। একমাত্র এড: আব্দুল ওয়াজেদ জোয়ার্দ্দারের সাথে যোগাযোগ করিনি। কারণ আমি জানি তিনি অসুস্থ এবং খুব একটা হাঁটা চলা করতে পারেন না। ১৬ এপ্রিল সন্ধায় জেলা আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বললেন আমার শরীর খারাপ, কেও বললেন গরমে অনেক কষ্ট হবে আমাকে মাপকর আমি যেতে পারব না। ২৫ জনের থেকে সংখ্যা কমে এলো ৭ জনে। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অশোক ধর বললেন এড: ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দার যাবে, তাকে বাসা থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমি প্রথমে বিশ্বাস করতে চায়নি। বিন্তু অশোক ধর বললেন তিনি যাবেনই এবং আমাদের সবাইকে মেহেরপুরে তার আত্মীয় এর বাড়িতে খাওয়াবেন। যাহোক ১৭ এপ্রিল সকাল ৭টার মধ্যে পেট্রোল পাম্পে হাজির হওয়ার কথা। যথারীতি ৭৬ বছরের যুবক এড; আব্দুর ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দার এক হাত লাঠি হাতে তার মেয়ে রুবীকে সাথে নিয়ে সময়মত হাজির হলেন। মিন্টু ভাই পৌছানোর পর আমরা মুজিব নগরের উদ্দ্যেশে যাত্রা শুরু করলাম। সারাপথ জোয়ার্দ্দার সাহেব গল্প করে আমাদের মাতিয়ে রাখলেন। শুনেছি বৃদ্ধ বয়সে মানুষ শিশুর মত হয়ে যায়। ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দারকে তাই দেখলাম মনে হল আমরা  তার বন্ধু। তার যৌবন কালের কথা, তার প্রেমের কথা, তার বিবাহের কথা সবকিছু অবলীলায় হাঁসতে হাঁসতে  বলতে লাগলেন। তার মেয়ে তার ডানে বসা। সে সহ আমরা সবায় জোয়ার্দ্দার সাহেবের কথা শুনছি আর আনন্দ অনুভব করছি। মুজিব নগর যাওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গা শহরে তার বড় মেয়ের বাসায় লাগেজটা রেখে আমরা আবার আমাদের যাত্রা শুরু করলাম। মুজিব নগরের প্রোগ্রামে যোগদান করলাম। প্রচন্ড গরম মিটিং শুরু হল অনেক দেরিতে মিটিং পরিচালনা করেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন ভাই পৌছেছেন অনেক দেরীতে। ভেপসা গরমের পাশাপাশি হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হওয়ার উপক্রম। তাড়াতাড়ি এড: ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দারকে নিয়ে মাইক্রোতে উঠে মেহের পুরের উর্দ্দেশ্যে রওনা হলাম। মেহেরপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে তার আত্মীয়ের বাসা। বাসার সামনে অনেক খালী জায়গা পড়ে আছে। শুধু বড় বড় বেশ কয়েকটি আমগাছ আমাদের মাইক্রো সেখানে পার্কিং করে আমরা দ্বোতলা বাড়ীর গেটে পৌছানো মাত্র সুন্দোর চেহারা, মুখে হালকা দাড়ি এক ভদ্র লোক গেট খুলে সালাম দিয়ে আমাদের কে রিসিভ করলেন। সিড়ি করে দ্বোতলায় উঠে গেলাম। যেয়ে বিশাল বাড়ি প্রাচীর ঘেরা দ্বোতলা বিল্ডিং, সুপ্রস্থ বারান্দা। ঘরের রুমগুলো অনেক বড়। বারান্দার ডাইনিং টেবিলে আমাদের খাবারের জন্যে প্লেটগুলো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। হাতমুখ ধুয়ে আমরা খাবার টেবিরে বসে পড়লাম। তার আগে গেষ্টরুমে বসা মাত্র লেবু শরবত দিয়ে আমাদেরকে আপ্যায়ন করা হল। খাবার টেবিলে প্রথমে পোলাও ভাত, তারপর সাদা ভাত, চিংড়ি সহ শাখ ভাজি, ছোট মাছের তরকারী, বড়মাছ, মুরগির রোষ্ট, ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুরের খাসির মাংস, আমডাল, টক দই এবং আম আচার সবকিছুই অসাধারণ সু-স্বাদু তৃপ্তি সহকারে সবাই খাবার খেল। সর্বশেষ মিষ্টি দেওয়া হল। ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দারের জন্যে এই আপ্যায়নের ব্যবস্থা। খাবারের আয়োজন দেখে বুঝলাম ২০-২৫ জনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু আমরা ছিলাম ৯ জন। ভরপুর খাবার পর আধাঘন্টা রেষ্ট নিয়ে আমরা ঝিনাইদহের উদ্দ্যেশে রওনা হলাম। আমঝুপি পৌছানোর পর পলাশ চেয়ারম্যান বললেন ভাই ঐতিহাসিক নীল কুঠি একটু দেখলে ভালো হয়। জোয়ার্দ্দার সাহেব সম্পতি দিলেন। ডানদিকে মোড় ঘুরে মাইক্রো গিয়ে পৌছাল ঐতিহাসিক নীল কুঠির সামনে। পৌছানোর পর জানতে পারলাম ঐতিহাসিক নীল কুঠি সরকারের প্রত্নতত্ব বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েয়েছে, তাই দর্শনার্থীদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়না। আমরা কুঠির চারিপার্শ্বে ঘুরাঘুরি করার পর নদীর ঘাটের সিড়িতে গিয়ে এক সাথে ছবি তুললাম। অশোখ ধর বললেন আগের দিনে রাজা বাদশারা তাদের পত্র বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে কবুতরকে ব্যবহার করতেন। তার একটা নিদর্শন অর্থাৎ সেই কবুতরের ঘর এখানে আছে তোমরা দেখেছ কি না? আমি বললাম দাদা আমি বেশ কয়েকবার এখানে এসেছি। কিন্তু কবুতরের ঘরটা আমি দেখিনাই। অনেক আগ্রহ ভরে কবুতরের ঘরটা দেখলাম, ঘরটার সামনে দাড়িয়ে সবায় মিলে ছবি তুললাম। ইতিহাসের স্বাক্ষী হিসাবে নীলকুঠির পাশে দাড়িয়ে আছে স্বৃতিবহ কবুতরের ঘর। ছবি তোলার পর কেয়ার টেকারের খোজ করলাম। একটা ছোট ছেলে কেয়ার টেকারের সংবাদ দিল। সংবাদ  পাওয়ামাত্র সে বেরিয়ে এলো। নাম জিজ্ঞেসা করা মাত্র বলল, নাম বিল্লাল হোসেন। দেশ স্বাধীনের আগে সে এখানে চাকুরীতে ঢুকেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার চাকুরী সরকারী করণ করা হয়নি। মাঝে পাঁচ বছর তার বেতন বন্ধ ছিল। জাতীয় চার নেতার এক নেতা, সাবেক প্রধান মন্ত্রী, তাজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিনী শ্রদ্ধা ভাজন জহরা তাজ উদ্দিন জানার পর বকেয়া বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করেন। নীল কুঠিতে দুই বছর বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। তিনি জানামাত্র বিকালের মধ্যে বিদ্যুত সংযোগের ব্যবস্থা করেন। কেয়ার টেকার বিল্লাল হোসেন বেতন পান দৈনিক ৩০০ টাকা হাজিরা হিসাবে। এতে মাসের ৩০ দিনের বেতন তার কপালে জোটে না। তার প্রত্যাশা জানতে চাইলে তিনি বলেন। আমার বয়স ৬৩ বছর পার হয়েছে। আমার জীবন যে ভাবেই কেটে গেল এতে আমার কোন দুঃখ নেই। আমার মেয়ে প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করবে। যদি তার একটি সরকারী চাকুরী হয় এতেই আমি খুশি। কেয়ার টেকার বিল্লালের সাহো কুশল বিনিময়ের সময় আমাদের পরিচয় জেনে বললেন চলেন ভিতরে আপনাদের একটু ঘুরিয়ে দেখায়। আমরা কয়েকজন ভিতরে কয়েকবার দেখলেও যেহেতু সবায় দেখেনি বিধায় আমরা সবায় ভিতরে ঘুরে ঘুরে দেখলাম, স্ন্যাক ফ্লোর দেখলাম, রুম গরম করার জন্যে আগুন জালানোর স্থান দেখলাম। এছাড়াও অন্যান্য রুম গুলো পরিদর্শন করে বিদায় নিয়ে নীল কুঠির বাইরে মাইক্রোতে বসা এড: আব্দুল ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দারের কাছে আসলাম। তার পায়ে সমস্যা বা শারিরীক সমস্যার কারনে মাইক্রো থেকে নামেননি এবার তিনি বললেন চল চা খাব। পাশেই চায়ের দোকান ছিল। প্লাস্টিকের চেয়ার টেবিলে সাজানো চা   খাওয়ার জায়গা। চা খাওয়া পরব শেষ করে উঠায় সময় স্থানীয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মালেক মোল্যার সাথে পরিচয় হল। তার বাসা নীল কুঠির পাশেই। তাদের পূর্ব পুরুষ ভারতে। তিনি বললেন মুজিব নগর থেকে ভারতের ভিতরে পাঁচ কিঃ মিঃ দুরত্বে তাদের দাদা বাড়ি। মালেক সাহেবের সাথে চা চক্রের পর ঝিনাইদহের উদ্দ্যেশে রওনা হলাম। চুয়াডাঙ্গা শহরে প্রবেশ করার পর আবার যেতে হল এড: ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দারের মেয়ের বাসায়। কারণ জোয়ার্দ্দারের সাহেব সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। জোয়ার্দ্দার সাহেবকে তার মেয়ের বাসায় দ্বোতলায় পৌছে দিয়ে আমি চলে আসছি। আর সবার বাইরে অবস্থান করছেন। কারণ আমরা ভিতরে ঢুকবো না। কিছু খাবোও না। কারণ আমাদের খাওয়ার কোন উপায়ও ছিল না। জোয়ার্দ্দার সাহেব এবং তার মেয়ের পিড়াপিড়িতে সবায়কে আবার দ্বোতলায় উঠতে হল এবং আঙুর ফল ও কমলাম খেতে হলো। জোয়ার্দ্দার সাহেবের দুইটি নাতলী। তাদের চেহারা এক, গায়ের রং এক, যে সেন্ডেল পরে তাও এক, অদ্ভুদ প্রকৃতির মিল। ওখান থেকে বিদায় নিয়ে একটানে ঝিনাইদহ শহরেই পেট্রোল পাম্পে পৌছে আমরা যে যার গন্তব্য স্থলে রওনা হলাম। সবায় বললেন ৭৬ বছরের যুবক এড: আব্দুল ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দারের নেতৃত্ব এবারের আমাদের ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসের প্রোগ্রাম আমাদেরকে স্বরনীয় করে রাখবে। মোঃ আছাদুজ্জামান আছাদ  দপ্তর সম্পাদক  জেলা আওয়ামী লীগ ঝিনাইদহ।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful