Templates by BIGtheme NET
Home / জাতীয় / আজ ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস…মুহম্মদ আলতাফ হোসেন.চেয়ারম্যান বাংলাদেশ নিউজ সিন্ডিকেট

আজ ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস…মুহম্মদ আলতাফ হোসেন.চেয়ারম্যান বাংলাদেশ নিউজ সিন্ডিকেট

আজ ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস

মুহম্মদ আলতাফ হোসেন

মুহম্মদ আলতাফ হোসেনj

25-March-1

মুহম্মদ আলতাফ হোসেন : আজ জাতীয় গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর অপারেশন সার্চলাইটের নামে চালানো নৃশংসতা ও বর্বরতাকে জাতির হৃদয়পটে জাগরুক রেখে প্রতি বছর ঘৃণা ও ধিক্কার জানানোর লক্ষ্যে জাতীয় গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে গত ১১ই মার্চ। জাতীয় সংসদে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন সরকারদলীয় জোটের শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সংসদ সদস্য শিরীন আখতার। প্রস্তাবটি উথ্থাপনকালে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে বর্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যাকে স্মরণ করে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হোক এবং আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবসের প্রতি স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হোক। নবম জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে প্রস্তাবটির ওপর সাধারণ আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় গণহত্যার সংজ্ঞা তুলে ধরে বলেন, জাতিসংঘে ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর ‘জেনোসাইড’কে কনভেনশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাই জাতিসংঘের কনভেনশন অনুযায়ীই আমাদের সুযোগ রয়েছে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার। সংসদে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের যে প্রস্তাবটি এসেছে তা আমরা সমর্থন করছি এবং সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করার জন্য আহŸান জানাচ্ছি। কারণ এই গণহত্যার রূপ যারা দেখেছেন তারা কোনোদিন তা ভুলতে পারবে না।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামে পরিচালিত সামরিক অভিযান ছিল পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হিংস্রতা ও বর্বরতার চরম বহি:প্রকাশ। এই দিবসটি বাঙালির জীবনে এক ভয়াবহ দিন। সেই কালো রাতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কাপুরুষের মতো রাতের অন্ধকারে পাশবিক হিংস্রতা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর। সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়ার নির্দেশে জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামের সামরিক অভিযানে সংগঠিত হয় ইতিহাসের জঘন্যতম নির্মম গণহত্যা। তাই অন্য যে কোনো দিনের চেয়ে এই দিনটি শুধু আমাদের কাছেই নয়, বিশ্বের গণহত্যার ইতিহাসেও এক উদাহরণযোগ্য স্মরণীয় দিন। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর সশস্ত্র হামলা করে এবং দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানী সামরিক শাসকদের সহযোগিতায় গঠিত রাজাকার, আল শামস, আলবদর বাহিনী যৌথভাবে বাঙালিদের নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং মা বোনের সম্ভ্রম হানি করে। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর হলেও ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতটির স্মরণে গণহত্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় সংসদ একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলে ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে প্রতি বছর পাকিস্তনী দখলদার ও হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার প্রতি জাতির ঘৃণা দৃঢ়তর হবে এবং জাতীয় চেতনা শানিত ও সমৃদ্ধ হবে।
বর্তমানে পৃথিবীর সব দেশে ২১ শে ফেব্রæয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের ফলে বৈশ্বিক ক্ষেত্রে কেবল বাংলা ভাষাই নয়, বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতিও এক বিশেষ মর্যাদা ও গৌরবে অভিষিক্ত হয়েছে। তেমনি ২৫শে মার্চ যদি আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করে, তাহলে বাংলাদেশের রক্ত¯œাত ও গৌরবমন্ডিত স্বাধীনতা অবশ্যই অধিকতর মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত হবে। আর জাতিসংঘের স্বীকৃতি আদায় করতে পারলে এই গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অন্যান্য অপরাধের দায় ও কলংক পাকিস্তানকে বহন করতে হবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। আর এ জন্যই পাকিস্তান একাত্তুরের গণহত্যাকে অস্বীকার ও দখলদার সেনাবাহিনীর নৃশংসতা ও বর্বরতার অভিযোগ মিথ্যা প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে আসছে শুরু থেকেই। এতদসত্তে¡ও জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জনের অভীষ্ট লক্ষ্যে আগাতে হবে আমাদের। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ ও তাদের পরিবারের স্বজন হারানোর মর্মবেদনা সারা বিশ্বে সঞ্চারিত হোক তা আমরা অবশ্যই চাইবো। তাই ২৫শে মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণায় বাংলাদেশের প্রস্তাব জাতিসংঘ গ্রহণ করলে তা হবে আরেকটি অনন্য ঐতিহাসিক অর্জন। এজন্য প্রচেষ্টা অব্যহত রাখতে হবে।

মুহম্মদ আলতাফ হোসেন

আজীবন সভাপতি

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা

চেয়ারম্যান ও প্রধান সম্পাদক

বিএনএসও এফএনএস’

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful